Posts

নিষ্ঠুর ভালোবাসা নিষ্ঠুর পৃথিবীর

Image
নি ষ্ঠুর  ভালোবাসা যে ছেলে শুধু দিনে একবার তোমাকে দেখার জন্যে তোমার বাসার সামনের এক মুদি দোকানের পাশে দাড়িয়ে থাকে , সেই ছেলে তোমার কাছে হয়ে যায় বখাটে... . যে ছেলে তোমার দেখা পেলেই তার শরীরের প্রতিটি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় সেই নাকি তোমাকে ডিস্টার্ব করে... . যে ছেলে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকে তোমার তোমার একবার সেই হাসি মুখো দেখবার জন্যে সেই ছেলেই নাকি তোমার দিকে কুনজর দেয়... . যে ছেলে তোমার সর্বদা ভালোর জন্যে মন থেকে আল্লাহর কাছে প্রতিটিসময় দোয়া করে সেই ছেলেটিই নাকি তোমার খারাপ চায়... . যে ছেলে তোমার একটি হাসি দেখার জন্যে প্রতিক্ষন অপেক্ষায় থাকে সেই ছেলেকেই তার জন্যে তুমি কাদিয়েছো... . যে ছেলে তোমার অসুস্থ্যতার খবর পেলে তার খাওয়া দাওয়া বন্ধ হয়ে যায় এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করে তুমি সেই ছেলেরই মৃত্যু কামনায় ব্যাস্ত থাকো...

মেঘ কন্যার ভালবাসা

Image
ভালোবাসার গল্প- মেঘকন্যা বাসারর গল্প, প্রেমের গল্প, ভালবাসার গল্প, আজকে খুব ভাল লাগছে আমার।কারন আমি জীবনেওট্রেনে ভ্রমন করিনি আজ করব।আমাদের বাসা কুমিল্লা আর ট্রেনে করে বেড়াতে যাবো আমার খালার বাসায়উনার বাসা সিলেট।উনার বাসায় আরো অনেক বারই যাওয়া হইছে বাসে করে কিন্তু ট্রেনে করে এই প্রথম যাওয়া।আবার সিলেট শহর টা অনেক সুন্দর একটা শহর। অনেক দিন পরে খালার বাসায় যাচ্ছি তাই আজকে মনের মধ্যে অজানা এক উৎফুল্ল ও ভাললাগা কাজ করছে। . কুমিল্লা ট্রেন স্টেশনে গিয়ে একটা টিকেট কেটে বসে আছি। দশমিনিট পরে ট্রেন আসবে।দেখতে দেখতে ট্রেন এসে গেল।আমি আমার ব্যাগ টা নিয়ে ট্রেনের মধ্যে আমার সিট খুঁজে বসে পড়লাম।আমার ভাগ্য মনে হয় ভালই ছিল। আমি যে ট্রেনে জানালার পাশে সিট পেয়েছি।একটু পরে একটা মেয়ে এসে পাশে বসল।মেয়েটা অনেক সুন্দরি ছিল। . ট্রেন ছেড়ে দিয়েছে ট্রেনের গতির সাথে সাথে গাছ-পালা গুলোও দুরে চলে যাচ্ছে।মাঝে মাঝে রেললাইনের পাশের বাড়ির সামনে ছোট ছোট বাচ্চাদের হৈ চৈ দেখতে পেলাম হয়ত ট্রেন দেখে ওরাও আনন্দ পাচ্ছে।এই সব আনন্দঘন দৃশ্য গুলো দেখে অজান্তেই মনের মধ্যে অন্যরকম শিহরন বয়ে যেতে লাগল। . --এই ছেলে একটা কথা ...

প্রতিবাদী ভালোবাসার গল্প

Image
প্রতিবাদী ভালবাসা লবাসি তোমায়  সংখ্যা রক্ত পলাশ অনিমেষের লাল মারুতি গাড়িটা হঠাৎ বেশ শব্দ করেই ব্রেক কষে,শৈশবের প্রিয় রায়নগরের মোড়ে,ঠিক মোহন কাকুর দোকানের সামনে।মোহন কাকু এই আমূল বদলে যাওয়া অনিমেষকে দেখে সেই পুরোনো পান খাওয়া ঠোঁটের হাসি দেয়।এই হাসির কোন জবাব নেই অনিমেষের কাছে,সত্যি কথা বলতে জবাব দেওয়ার সময়টাই নেই তার।নিম্নবিত্ত মুখস্ত মুখগুলো আর ভাল লাগে না অনিমেষের।সেই মুখগুলোতে শুধু আত্মীয়তার ঋণ শোধের বায়না।অসহ্য !! তার বেনসনের প্যাকেটটা খালি পড়ে আছে,ড্রাইভিং সিটের পকেটে।সে ভরাপেটের মানিব্যাগের বুক থেকে একশো টাকার একটা নোট বের করে ড্রাইভারের হাতে দিয়ে চোখের ইশারায় কাজ বুঝিয়ে দেয়।একসময় অনিমেষ অনেক বেশি কথা বলত।কারণে অকারণে কথা বলত,হাসত।এখন আর কাজ ছাড়া কথা তেমন একটা বলে না।ইশারাতেই যখন সব হয় তখন আর কথা বলে লাভ কি? আলোরিকা-সদ্য কথা বলতে শেখা তার আড়াই বছর বয়েসী মেয়েটা,আধো আধো ভাষায় সারাদিনমানই খুঁটিনাটি প্রশ্ন তাড়ায় তার দিকে-বাবা তুমি আমার মতো ছোট টুপি পড় না কেন?তুমি আমার মতো ছড়া বলতে পারো না কেন?ও বাবা তুমি সিগারেট খাও কেন?আমাকে দাও আমিও খাব।ও বাবা তোমার ঠোঁ...